
এসময় ভিশন বোর্ড, প্রেজেন্টেশন স্লাইড এবং প্রশ্নত্তোরের মাধ্যমে একুশে ফেব্রুয়ারী এবং শহীদ মিনারের ইতিহাস তুলে ধরা হয়। বিভিন্ন দেশ ও ভাষার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারীগণ নিজেদের মাতৃভাষায় বাক্য লিখে সেঁটে দেন একটি বোর্ডে। ইতিহাসের পাশাপাশি বাংলাদেশের মুখরোচক খাবারের সাথেও পরিচয় করানো হয় তাদের।

সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ রাজর্ষি চৌধুরী জানান, "আমাদের সদস্যরা বিগত এক সপ্তাহ কাজ করে শহীদ মিনার, ভিশন বোর্ড, সাজসজ্জার উপকরণ তৈরি করেছেন। আমাদের এই ছোট্ট আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরতে পেরে আমরা গর্বিত।"

প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বিভিন্ন দেশ ও ভাষাভাষীর শিক্ষার্থীরা। ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে আয়োজন করার আশা প্রকাশ করেন আয়োজক সংগঠনের সদস্যগণ।